Curious Biker
মুলপাতাবাইকিং টিপসটেকনিক্যাল বিষয়বাইকের দামবাইক ব্র্যান্ডবাইকিং ভিডিওমোটরবাইক যন্ত্রাংশভ্রমণ গাইড
  • মুলপাতা
  • বাইকিং টিপস
  • টেকনিক্যাল বিষয়
  • বাইকের দাম
  • বাইক ব্র্যান্ড
  • বাইকিং ভিডিও
  • মোটরবাইক যন্ত্রাংশ
  • ভ্রমণ গাইড
  • ব্যবহারের শর্তাবলী
  • প্রাইভেসি নীতি

© 2026 কিউরিয়াসবাইকার. সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

ওয়েবসাইটটি তৈরি এবং রক্ষণাবেক্ষণ করেছে গ্রাফল্যান্ড আইটি।

Version 0.2.3

Curiousbiker Facebook Group এ যোগ দিন

বাইক প্রেমীদের সাথে আলোচনা করুন এবং নতুন তথ্য জানুন

সাধারন জ্ঞানফিচারড

ইঞ্জিনভেদে লুব অয়েল-এর তারতম্য কেন হয়

জুলাই 09, 2023
ইঞ্জিনভেদে লুব অয়েল-এর তারতম্য কেন হয়

বাজারে সাধারণত তিন ধরণের ইঞ্জিন অয়েল পাওয়া যায়। মিনারেল, সেমি-সিন্থেটিক এবং সিন্থেটিক।

বাজারে সাধারণত তিন ধরণের ইঞ্জিন অয়েল পাওয়া যায়। মিনারেল, সেমি-সিন্থেটিক এবং সিন্থেটিক।

মিনারেল অয়েলঃ

মিনারেল অয়েল হচ্ছে ক্রুড অয়েলকে সামান্য রিফাইন করে যা বাজারজাত করা হয় এবং এর দাম বেশ সস্তা। সিংহভাগ মোটরসাইকেল ম্যানুফ্যাকচারার মিনারেল অয়েল রিকমেন্ড করে থাকে। বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে একটি মিনারেল ইঞ্জিন অয়েল ৮০০-১০০০ কিলোমিটারের ভেতর পরিবর্তন করা উচিত।

সেমি-সিন্থেটিক অয়েলঃ

সেমি-সিন্থেটিক অয়েল মিনারেল অয়েলকেই আরও কয়েক ধাপে রিফাইন করে এবং অ্যাডিটিভ যোগ করে তৈরি করা হয়। এর ড্রেইন ইন্টারভাল মিনারেলের চেয়ে বেশি এবং দামও বেশি। সাধারণত একটি সেমি-সিন্থেটিকইঞ্জিন অয়েল ২০০০-২২০০ কিলোমিটার চালানো যায়।

সিন্থেটিক অয়েলঃ

সিন্থেটিক অয়েল পুরোপুরি ল্যাবে তৈরি এবং সর্বোচ্চ পারফরমেন্স নিশ্চিত করে। এটির ড্রেইন ইন্টারভাল তুলনামূলক অনেক বেশি এবং দামও বেশ খানিকটা বেশি। সিন্থেটিক সাধারণত লিকুইড কুলড বাইকে ব্যবহার করা হয়।

এবার আসেন জানার চেস্থা করি ইঞ্জিনভেদে লুব অয়েল-এর তারতম্য কেন হয়?

লুব অয়েল বা লুব্রিকেন্ট হলো একপ্রকার পিচ্ছিল লিকুইড,জ কোন চালনশীল বস্তুর ঘর্ষণ কম করতে,শব্দ,তাপ কমাতে,,এফিসেন্সি বাড়াতে,বস্তুটির আয়ু বাড়াতে কাজ করে।

ইঞ্জিন এর ঘনফল বাড়ানোর সাথে তার কার্যক্ষমতা বেড়ে যায়,বাড়ে ঘর্ষণ,তাপ, র এই লুব্রিকেন্ট তাপের সাথে বিভিন্ন রকম হয়,কোথাও লোড অনেক বেশি,ঘর্ষণ কম,কোথাও লোড কম কিন্তু ঘর্ষণ বেশি,কোথাও লোড কম ঘর্ষণ কম ।এই জন্য বিভিন্ন জায়গায় বস্তু অনুপাতে লুব্রিকেন্ট ও বিভিন্ন।যেমন ধরুন গ্রিজ একধরনের সেমি সলিড লিকুইড কিন্তু এটি জায়গা ভেদে পাউডার ও হয়।সাধারণত যেখানে সিল জায়গায় লিকুইড প্রয়োজন সেখানে গ্রিজ কার্যকর।যেখানে পার্টস এর মধ্যে গ্যাপ কম,মুল্যবান পার্টস সেখানে দামি লুব অয়েল দেওয়া হয়।

তাছাড়া গিয়ার ফিট বাইকে অয়েল এর গ্রেড আলাদা,গিয়ার লেস বাইক এর লুব অয়েল আলাদা হয় কারণ তাপ,চাপ র ঘূর্ণন এর ওপর লুব অয়েল কতটা টিকে থাকবে তারও ভাগ আছে।

ঠান্ডা ও গরম জায়গার ওপর ও লুব অয়েল ২ রকম।শীত প্রধান অঞ্চলের ,গরম অঞ্চল এর,কারণ খুব ঠান্ডায় কিছু লুব অইল জমে যায়,আবার খুব গরম এ কিছু লুব অয়েল গোলে জল এর মত হয়ে যায়।

শেয়ার করুন
সব লেখা দেখুন

সোশ্যাল মিডিয়া

প্রাসঙ্গিক লেখা

Front vs Rear Tyre Difference | Bike Tyre Guide in Bangladesh

জানুয়ারি 08, 2026

২০২৬ সালে বাংলাদেশের বাইক মার্কেট: কী বদলাচ্ছে?

জানুয়ারি 06, 2026

২০২৬ সালে বাংলাদেশে বাইক কেনার আগে যেসব ভুল সবাই করে

জানুয়ারি 03, 2026

Champion of the Curves Season–2 সফলভাবে সম্পন্ন: শুধু রেসিং নয়, ছিল বাইকারদের মিলনমেলা

ডিসেম্বর 18, 2025

সাম্প্রতিক লেখা

Front vs Rear Tyre Difference | Bike Tyre Guide in Bangladesh

জানুয়ারি 08, 2026

২০২৬ সালে বাংলাদেশের বাইক মার্কেট: কী বদলাচ্ছে?

জানুয়ারি 06, 2026

২০২৬ সালে বাংলাদেশে বাইক কেনার আগে যেসব ভুল সবাই করে

জানুয়ারি 03, 2026