Curious Biker
মুলপাতাবাইকিং টিপসটেকনিক্যাল বিষয়বাইকের দামবাইক ব্র্যান্ডবাইকিং ভিডিওমোটরবাইক যন্ত্রাংশভ্রমণ গাইড
  • মুলপাতা
  • বাইকিং টিপস
  • টেকনিক্যাল বিষয়
  • বাইকের দাম
  • বাইক ব্র্যান্ড
  • বাইকিং ভিডিও
  • মোটরবাইক যন্ত্রাংশ
  • ভ্রমণ গাইড
  • ব্যবহারের শর্তাবলী
  • প্রাইভেসি নীতি

© 2026 কিউরিয়াসবাইকার. সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

ওয়েবসাইটটি তৈরি এবং রক্ষণাবেক্ষণ করেছে গ্রাফল্যান্ড আইটি।

Version 0.2.3

Curiousbiker Facebook Group এ যোগ দিন

বাইক প্রেমীদের সাথে আলোচনা করুন এবং নতুন তথ্য জানুন

ফিচারডসাধারন জ্ঞানটিপস

বাইক নিয়ে দীর্ঘ যাত্রার ১৩ মন্ত্র

অক্টোবর 09, 2022
বাইক নিয়ে দীর্ঘ যাত্রার ১৩ মন্ত্র

বাইক নিয়ে লং রাইড পছন্দ করেন এবং সময় সুযোগ পেলেই প্রিয় মোটরবাইক নিয়ে দীর্ঘ ভ্রমনে বেড়িয়ে পড়েন এমন বাইকারের সংখ্যা নেহাত কম নয়। অনেকে অভিজ্ঞ রাইডারদের লং টুরের ভিডিও দেখে বা গল্প শুনেও বাইক নিয়ে লম্বা ভ্রমনে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। তবে হাইওয়ে এবং পাহাড়ি এডভেঞ্চার রাইডে যাওয়ার আগে কিছু বিষয়ে খুব বেশি সচেতন হওয়া অত্যন্ত জরুরি। আজ সেই বিষয় গুলো নিয়েই আলোচনা করবো, অবশ্যই উপকৃত হবেন।

বাইক নিয়ে লং রাইড পছন্দ করেন এবং সময় সুযোগ পেলেই প্রিয় মোটরবাইক নিয়ে দীর্ঘ ভ্রমনে বেড়িয়ে পড়েন এমন বাইকারের সংখ্যা নেহাত কম নয়। অনেকে অভিজ্ঞ রাইডারদের লং টুরের ভিডিও দেখে বা গল্প শুনেও বাইক নিয়ে লম্বা ভ্রমনে আগ্রহী হয়ে ওঠেন। তবে হাইওয়ে এবং পাহাড়ি এডভেঞ্চার রাইডে যাওয়ার আগে কিছু বিষয়ে খুব বেশি সচেতন হওয়া অত্যন্ত জরুরি। আজ সেই বিষয় গুলো নিয়েই আলোচনা করবো, অবশ্যই উপকৃত হবেন।

১। প্রথমেই নিরাপত্তা নিয়ে ভাবতে হবে। বাইক রাইডের ক্ষেত্রে মাথার সুরক্ষা সবচেয়ে বেশি জরুরি তাই ভালো মান এবং ব্রান্ডের সার্টিফাইড হেলমেট ব্যবহার করুন। যেই হেলমেট টি কিনবেন তাতে যেন অবশ্যই শার্প রেটিং থাকে। অথবা নুন্যতম ডট বা ইসিই সার্টিফিকেশন থাকতেই হবে৷ হেলমেট লাইট ওয়েট এবং ভালো ওয়েল ব্যালেন্সড হলে দীর্ঘযাত্রায়ও মাথায় অস্বস্তি লাগবে না।

২। সূর্যের আলো যতই প্রখর হোক, হাইওয়েতে সবসময় হেডলাইট জ্বালিয়ে রাখুন। এতে করে আপনার উপস্থিতি হাইওয়েতে অনেক দূর থেকে দেখা যাবে। একই কারণে কালো কাপড় পরিহার করে যথাসম্ভব উজ্জ্বল যেমন হলুদ বা টিয়া কালার এর উইন্ডব্রেকার পড়ুন। এতে আপনার রোড প্রেজেন্স অনেক বেড়ে যাবে।

৩। লং রাইডে পিলিয়ন না নেয়াই বুদ্ধিমানের কাজ তবুও পিলয়িন নেন তাকেও সার্টিফাইড হেলমেট পরিয়ে নিন৷ আর পিলিয়ন যদি ফিমেল হয়, তাহলে তারও বাইকারের মত সেফটি পোশাক পড়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার জন্য রাইডারের মত দুই পা দুই দিকে দিয়ে বসাবেন। এতে ব্যালান্সিং নষ্ট হবে না।

৪। গ্লাভস, এলবো গার্ড, নী গার্ড অবশ্যই ব্যাবহার করুন। ভালো সেফটি গার্ডস শুধু আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়াবে না, পড়ে গেলে আঘাত থেকেও বাচাবে।

৫। হাইওয়েতে বাইক চালানোর গ্রামার আলাদা তাই অভিজ্ঞ রাইডারদের নিয়ে এটা আগে আয়ত্ত করতে শিখুন। তাছাড়া বড় রাস্তায় বাইক চালানো সহজ মনে হলেও মাঝে মাঝে এমন পরিস্থিতির ভিতর দিয়ে যেতে হবে, যেটা কাটাতে হলে আপনাকে যথেষ্ঠ দক্ষ হতে হবে। বাইক চালানো শিখার পরে শহরে কিংবা ছোট রাস্তায় অন্তত ৫০০০-৭০০০ কিমি চালানোর অভিজ্ঞতা থাকলে হাইওয়েতে লং জার্নির জন্য আসতে পারেন। একা লং রাইডে না গিয়ে এক্সপার্ট কাউকে সাথে নিয়ে যেতে পারেন৷

৬। বৃষ্টির সিজনে রেইনকোট অবশ্যই রাখবেন। বাজারে যে গ্লাভস পাওয়া যায় তার বেশিরভাগই ওয়াটারপ্রুফ হয় না। এজন্য ফার্মাসি থেকে সার্জারি গ্লাভস কিনতে পারেন। দাম খুবই কম। সার্জারির গ্লাভসের উপর মেইন গ্লাভস পড়লে হাতে পানি ঢুকবে না।

৭। হাইওয়েতে রাতের বেলায় সাদা আলোর LED বাতির থেকে হ্যালোজেন অথবা হলুদ বাতি বেশী কার্যকর। এতে রাস্তার কন্ডিশন ভালো বুঝা যায়। আমাদের চোখে হলুদ আলো সবচেয়ে বেশী অনুভূতির সৃষ্টি করে। আপনার বাইকে সাদা আলোর ফগ লাইট থাকলে তার উপর হলুদ ফিল্ম লাগিয়ে আলো হলদেটে করে নিতে পারেন৷ তাহলে হ্যালোজেনের একটা ফিলিংস পাবেন।

৮। রাস্তায় হঠাৎ বৃষ্টি হওয়া শুরু হলে বাইক রাস্তার পাশে থামান। এসময় রাস্তার বালু-মাটি পানির সাথে মিশে খুবই পিচ্ছিল থাকে। ৫-৭ মিনিট বৃষ্টি হওয়ার পর রাস্তার মাটি ধুয়ে যাবে। আবার বাইক স্টার্ট দিন। এর মাঝে আপনার রেইনকোট পড়ে নিন। চাকার হাওয়া কমিয়ে নিন।

৯। যতই এক্সপার্ট হোন না কেন, হাইওয়েতে রাতের বেলা বাইক চালানো পরিহার করুন। বৃষ্টির রাতে একেবারেই না। কারন রাতে রাস্তা শুকনো না ভেজা তা বোঝা কঠিন হয়ে যায়।

১০। একজন ডিসেন্ট এবং দক্ষ বাইকার সবসময় ইনডিকেটর ব্যবহার করেন। লেন পরিবর্তনের জন্য ইনডিকেটর ব্যবহার করুন। কাউকে সাইড দিতে চাইলে বাম পাশের ইনডিকেটর জ্বালান, সাইড না দিতে চাইলে কিংবা নিজে ওভারটেক করতে চাইলে ডান পাশের ইনডিকেটর জ্বালান। বাইক থামাতে চাইলে বাম পাশের ইনডিকেটর জ্বালিয়ে আস্তে আস্তে ব্রেক করে থামান।

১১। তিন চাকার যানবাহনের ক্ষেত্রে বিশেষ সাবধানতা অবলম্বন করুন। এদের সামনের চাকা বডি দিয়ে ঢাকা থাকে বলে মুভমেন্ট বোঝা যায় না।

১২। দুরের জার্নিতে অবশ্যই বেশি বেশি পানি পান করুন সাথে গ্লুকোজ বা স্যালাইন মিশিয়ে নিতে পারেন। খেজুর নিতে পারেন পথে খাবার জন্য। এতে ইন্সট্যান্ট এনার্জি পাবেন।

১৩। ইমার্জেন্সি ব্রেকিং এর ক্ষেত্রে কখনই ক্লাচ চাপবেন না। ভেজা রাস্তায় দুই ব্রেকের সাথে ইঞ্জিন ব্রেক এপ্লাই করুন। স্পিড নিয়ন্ত্রণে রাখুন ।

আপনার রাইডিং হোক নিরাপদ ও আনন্দময়।

শেয়ার করুন
সব লেখা দেখুন

সোশ্যাল মিডিয়া

প্রাসঙ্গিক লেখা

বাংলাদেশে Hero MotoCorp এর নতুন গ্ল্যামার এক্স ১২৫ ও জুম ১২৫ লঞ্চ – দাম, ফিচার ও বিস্তারিত

ফেব্রুয়ারি 23, 2026

110–150 সিসি ও 250 সিসি মোটরসাইকেলের মেইনটেন্যান্স খরচ কি একই?

ফেব্রুয়ারি 15, 2026

মোটরসাইকেল কি বাস ও রাইড শেয়ারিংয়ের চেয়ে সস্তা? ২০২৬ সালের বাংলাদেশি বাস্তব খরচ বিশ্লেষণ

ফেব্রুয়ারি 10, 2026

ইভি বাইক কিনবেন? চার্জিং, রেঞ্জ, দাম ও সব প্রশ্নের উত্তর

ফেব্রুয়ারি 05, 2026

সাম্প্রতিক লেখা

বাংলাদেশে Hero MotoCorp এর নতুন গ্ল্যামার এক্স ১২৫ ও জুম ১২৫ লঞ্চ – দাম, ফিচার ও বিস্তারিত

ফেব্রুয়ারি 23, 2026

110–150 সিসি ও 250 সিসি মোটরসাইকেলের মেইনটেন্যান্স খরচ কি একই?

ফেব্রুয়ারি 15, 2026

মোটরসাইকেল কি বাস ও রাইড শেয়ারিংয়ের চেয়ে সস্তা? ২০২৬ সালের বাংলাদেশি বাস্তব খরচ বিশ্লেষণ

ফেব্রুয়ারি 10, 2026